ঢাকা | রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১

শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচে ‘টাই’ হলো বাংলাদেশ-ভারত ৩য় ওয়ানডে

নট আউট ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৩ জুলাই ২০২৩ ০০:৩২

সমতায় শেষ সিরিজ। ছবি: বিসিবি সমতায় শেষ সিরিজ। ছবি: বিসিবি

নট আউট ডেস্কঃ জয়ের জন্য শেষ ওভারে ভারতের প্রয়োজন ছিল ৩ রান, অন্যদিকে বাংলাদেশের প্র‍য়োজন ছিল ১ উইকেট। শ্বাসরুদ্ধকর এমন ম্যাচে মারুফা আক্তারের করা ফাইনাল ওভারে প্রথম দুই বলেই ক্রিজে থাকা দুই ভারতীয় ব্যাটার জেমিমা রদ্রিগেজ ও মেঘনা সিং দুটি সিঙ্গেল নেওয়ার পর ম্যাচটাই হেলে পড়েছিল ভারতের দিকে।

কিন্তু সেই ওভারের তৃতীয় বলেই মারুফাকে লেট কাট করতে গিয়ে কট বিহাইন্ড হয়ে যা মেঘনা। আর তাতেই হারতে বসা ম্যাচে বাংলাদেশ, মারুফার কল্যাণে ম্যাচ করে ‘টাই’। নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসেও এমন ঘটনার সাক্ষী এই প্রথমবার হয় বাংলাদেশ। এদিন প্রথম বাংলাদেশি নারী ক্রিকেটার হিসেবে ফারজানা হকের ওয়ানডেতে সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ পায় ২২৫ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ। জবাবে সফরকারী ভারতও থেমেছে ২২৫ রানে। ফলে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে কোনো দল না জেতায় সিরিজেও থাকে সমতা। 

২২৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা জোড়া উইকেট হারায় ভারত। তৃতীয় উইকেট জুটিতে দলের হাল ধরেন ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও হারলিন দেওল। এই দু'জনের ব্যাটে প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠে সফরকারীরা। দু'জন মিলে গড়েন অবিচ্ছিন্ন পঞ্চাশোর্ধ রানের জোট। এরপর বাংলাদেশের বোলারদের কোন সুযোগই না দিয়ে দলকে লড়াইয়ে রাখেন তারা।

হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন স্মৃতি মান্ধানা। তাতেই তৃতীয় উইকেটে ভারত পায় শতাধিক রানের জোট। ৫ চারে ৫৯ রান করা স্মৃতি মান্ধানাকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে ম্যাচে ফেরান ফাহিমা খাতুন। এরপর অধিনায়ক হারমনপ্রীত কৌরকে নিয়ে দলীয় দেড় শ পার করেন হারলিন দেওল। তাতেই জয়টা সহজ হয়ে যায় ভারতের জন্য। হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন দেওল।

নাহিদার শিকার হয়ে ১৪ রান সাজঘরে ফিরেন ভারতীয় অধিনায়ক হারমনপ্রীত কৌর। যদিও আম্পায়ারের আউটের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে না পেরে ভারতীয় কাপ্তান এদিন ঘটিয়েছেন লঙ্কাকাণ্ড। এরপর হারলিন দেওলের ব্যাটে লড়াইয়ে থাকে ভারত। তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন জেমিমা। দলীয় দুইশ পার করার আগেই দেওলের বিদায়ে ম্যাচ মোড় নেয় নাটকীয়রা। ফেরার আগে দেওল খেলেন ৯ চারে ৭৭ রানের ইনিংস। 

শেষ দিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ম্যাচ জমানোর কাজটা করেন ভারতের মেয়েরাই। শেষ পর্যন্ত উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে টাই হয় ম্যাচ। জেমিমা অপরাজিতা থাকেন ৩৩ রানে। বাংলাদেশের পক্ষে নাহিদা নেন ৩ উইকেট। মারুফার শিকার ২ উইকেট। 

এর আগে ব্যাট করে ফারজানা হকের ইতিহাস গড়ার দিনে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ৪ উইকেট হারিয়ে ২২৫ রান। ৭ চারে ১০৭ রানের ইনিংস খেলেন ফারজানা। এছাড়া ওপেনার শামিমা সুলতানা করেন ৫২ রান। অধিনায়ক নিগার সুলতানার ব্যাট থেকে আসে ২৪ রান। শেষ দিকে সোবহান মোস্তারি করেন ২৩ রান।

-নট আউট/টিএ



আপনার মূল্যবান মতামত দিন:

এই বিভাগের জনপ্রিয় খবর

স্কটিশদের বিধ্বস্ত করে টেবিলের চূড়ায় টাইগ্রেসরা

ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত পারফর্ম করে, রীতিমতো স্কটিশদের বিধ্বস্ত করেছে টাইগ্রেসরা। 

গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ

স্কটিশদের হারিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করে রেখেছিল আগেই। আজ (২১ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্র...

হারমানপ্রীতের আচরণ ক্ষমার অযোগ্য— বলেছেন মিতালি

আমার যতদূর মনে পড়ছে, তাতে কেউ কখনও এরকম আচরণ করেনি।’